সিলেটে হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কার্যালয় উদ্বোধন

সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নতুন কার্যালয়। শনিবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক গোলাম মর্তুজা সেলিম, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, এনসিপি সিলেট জেলা প্রধান সমন্বয়কারী নাজিম উদ্দিন শাহান, এনসিপি সিলেট জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ফয়সাল আহমদ এবং কামরুল আরিফ, সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি গুলজার আহমদ।

এছাড়াও অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা জনাব আমিনুল ইসলাম, সাবেক সিসিক কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন ও হুমায়ুন কবির সুহিন, মোয়াজ্জেম জেম, এনসিপি সিলেট জেলার সদস্য আতাউর রহমান আতা ও শেখ জাবেদ আহমদ, বিশিষ্ট অভিনেতা ও ছড়াকার প্রশান্ত লিটন, নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, সাংবাদিক আলী হায়দার মৃদুল, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবি আল মাহমুদ , ইসলামী ছাত্র মজলিস এমসি কলেজের সভাপতি আব্দুল বাসিত , মশিউর রহমান চৌধুরী, আবিদ হোসেন খান, আল মেজবা রায়হান , মুহিবুর রহমান শুয়াইব ,সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান নাঈম সহ আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হাফিজ মাও. মো. ছালিম আহমদ খান।

অনুষ্ঠান শেষে ২০২৫-২৬ সনের কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যৎ সেবামূলক পরিকল্পনা ও কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, “তরুণরাই আগামী নতুন বাংলাদেশের রূপকার। তোমাদের হাত ধরেই বদলে যাবে এই দেশ। পাঁচ বছর ধরে মানবিক কাজে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছ, এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। আগামী দিনেও যেন তোমরা সততা, মানবতা ও নিষ্ঠাবোধ নিয়ে কাজ করে যেতে পারো, সেই কামনাই করি।”

প্রসঙ্গত, হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ২০১৯ সাল থেকে সমাজের গরিব, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। টিলাগড়ে নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের সেবাধর্মী কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও সংগঠিত হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।